নিজস্ব চিত্র
শুভজিৎ বসু, হুগলি: শেষ পর্যায়ের নির্বাচনের আগে বঙ্গে ভোট প্রচারে এসে এমনই বক্তব্য দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। পাশাপাশি বিজেপি ক্ষমতায় এলে তৃণমূলের গুন্ডারাজের সমাপ্ত হবে এমনও হুংকার শোনা যায় তাঁর গলায়।
এইদিন হুগলিতে ভোট প্রচারে আসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। প্রথমে তারকেশ্বরে পৌঁছে বাবা তারকনাথের মন্দিরে যান। তারকেশ্বর বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী সন্তু পানকে সঙ্গে নিয়ে বাবা তারকনাথ মন্দিরে পুজো দেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তারপর সেখান থেকে ধনেখালিতে পৌঁছে জনসভা করেন। বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী বর্ণালী দাসের সমর্থনে মঞ্চ থেকে বক্ত্যব রেখে তৃণমূলকে আক্রমণের পাশাপাশি ডবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠা হবার দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, তৃনমূল এর গুন্ডাদের এবার শায়েস্তা করার সময় এসেছে। যারা বিজেপিকে মারধর করেছে, ব্যবসায়ীদের থেকে তোলা নিয়েছে, এবার তারা বুঝতে পারবে লুঠ, গুন্ডাগিরি কাকে বলে। তাই ভয় পেলে হবে না। সবাইকে একজোট হয়ে, সোনার বাংলা তৈরী করতে হবে।
যোগী আদিত্যনাথ আরো বলেন, বিজেপির ডবল ইঞ্জিন সরকার হলে তারকেশ্বর এ কাশী বিশ্বনাথ এর মতো প্রবেশদার হবে। এলাকার উন্নতি হবে, ব্যবসায়ীদের উন্নতি হবে। প্রথমে কংগ্রেস, তারপর সিপিআইএম, তারপর ১৫বছর তৃনমূল বাংলাকে ভিখারি করে রেখে দিয়েছে।। পশ্চিমবঙ্গে কেউ সনাতনী সংস্কৃতি নিয়ে কথাবার্তা বললে তাকে আটকে দেওয়া হয়। জয় শ্রীরাম বলতে দেওয়া হয় না। মা দুর্গার বিসর্জনে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাস্তায় নামাজ পড়ান, আর ইফতার পার্টিতে যান। ২০১৭সালের আগেও উত্তরপ্রদেশে এরকম পরিস্থিতি ছিল কিন্তু বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সমস্ত গুন্ডা রাজ শেষ হয়ে গেছে।
এদিন, ধনিয়াখালি বাসস্ট্যান্ডেএর সভা থেকে তিনি বলেন, “বাংলায় তৃণমূল জমানা শেষ হয়েছে পদ্ম ফুটবে। অন্ধকারের অবসান ঘটেছে বাংলায়।”
About The Author
Discover more from Jist Feed
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
