Site icon Jist Feed

দীর্ঘ ৫৯ বছর পরে হিন্দুত্ববাদী দলের কাছে আবার সুযোগ — গোসাবা বিধানসভা

PM Modi_Bikorno

পশ্চিমবঙ্গের একেবারে দক্ষিনে সুন্দরবনের শেষ প্রান্তের বিধানসভা ক্ষেত্র গোসাবা। একদিকে বিস্তীর্ণ আন্তর্জাতিক সীমান্ত। ভারতবর্ষের সুরক্ষার নিরিখে গোসাবার অবস্থান বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ১৯৬৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সারা পশ্চিম বঙ্গের ২৮০ টি আসনের মধ্যে ভারতীয় জনসঙ্ঘ ৫৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং একমাত্র এই গোসাবা আসনেই জয়লাভ করে। জি এন মন্ডল ছিলেন ভারতীয় জনসংঘের জয়ী প্রার্থী। অর্থাৎ হিন্দুত্ববাদী চিন্তাধারার ডিএনএ রয়েছে এই গোসাবা বিধানসভায়।

২০১১ সালের গোসাবা ব্লকের জনগণনা অনুযায়ী:
হিন্দু জনসংখ্যা: ২,১৭,১৫৫ (৮৮.০৬%)
মুসলিম জনসংখ্যা: ২১,২৮৬ (৮.৬৩%)
খ্রিস্টান জনসংখ্যা: ৩,২০০ (১.৩%)

এর পরে ২০২১ সালের প্রবল পরিবর্তনের হাওয়ায় ভারতীয় জনতা পার্টির ৪২.৮৮ % ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে। পরিসংখ্যান বলছে ২০১৯ থেকে বিজেপির ভোট ব্যাঙ্ক এখানে ৪০% এর আশেপাশে উঠে আসে।

পরিসংখ্যান বলছে ২০১৯ থেকে বিজেপির ভোট ব্যাঙ্ক এখানে ৪০% এর আশেপাশে উঠে আসে। দীর্ঘদিন বামদলের দখলে থাকার পরে ক্ষমতার ১১ সালে ক্ষমতার পরিবর্তন করে মানুষ তৃণমূলকে নিয়ে এলেও সন্ত্রাসের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন এখানে হয়নি।পিছিয়ে পড়া এলাকার তকমা ঘোচাতে পারেনি কোনো সরকার। মানুষের কণ্ঠ এখানে সন্ত্রাস আর দুর্নীতির কাছে চাপা পরে থাকে।

দীর্ঘ ৫৯ বছর পরে হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপির কাছে এবার আবার সুযোগ এসেছে এই আসনটিতে জয়লাভ করার। রাজ্যের বর্তমান শাসক দলের মাত্রাছাড়া দুর্নীতি, অপরাধীদের প্রশয় দেবার রাজনীতি ও মুসলমান তোষণ থেকে মুখ ফিরিয়ে গ্রামের পর গ্রাম এখানে শাসক দল ছেড়ে বিজেপি মুখী হয়েছে। হিন্দুদের হোমল্যান্ড কে সুরক্ষিত করার তাগিদ মানুষ এখানে প্রতক্ষ্য করছে।

জনসমর্থন থাকলেও, সন্ত্রাস আর ভোট লুট এর কাছে বিরোধীরা এখানে দীর্ঘদিন মাথা তুলতে পারেনি। কিন্তু এবারে নির্বাচন কমিশনের সন্ত্রাসমুক্ত ভোট পরিচালনার ধরণ দেখে মানুষ এখানে জয়ের আশা দেখছে।

২০১১ সালের গোসাবা ব্লকের জনগণনা অনুযায়ী:
হিন্দু জনসংখ্যা: ২,১৭,১৫৫ (৮৮.০৬%)
মুসলিম জনসংখ্যা: ২১,২৮৬ (৮.৬৩%)
খ্রিস্টান জনসংখ্যা: ৩,২০০ (১.৩%)

এখানে বিজেপি প্রার্থী বিকর্ণ নস্কর। বাল্যকাল থেকে আর এস এস এর সদস্য। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের দায়িত্ব সামলানো, আপাদমস্তক হিন্দুত্ববাদী তরুণ। হিন্দুদের সুরক্ষা ও স্বচ্ছ প্রশাসন এর বার্তা তার প্রচারে মানুষের কাছে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছে বলে আশাবাদী বিকর্ণ বাবু। নরেন্দ্র মোদী তাঁর সমর্থনে প্রচারেও এসেছিলেন। প্রথম পর্বের মতো সন্ত্রাস মুক্ত নির্বাচন হলে ৮৮ শতাংশ হিন্দু অধ্যুষিত গোসাবা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিকর্ণ বাবু।
তাঁর প্রতি মানুষের আস্থায় ৫৯ বছররের ইতিহাসকে পুনরাবৃত্তি হয়কিনা, আর কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে।

Exit mobile version