কল্পিত চিত্রণ
শাসক দলের মুখপত্র জাগো বাংলায় আজ প্রথম পাতায় হেডলাইন করা হয়েছে, দলের কর্মীদের মুরারই এর সভায় সুপ্রিমো বলেন ” আমাদের কাছে খবর আসেছ, ই ভি এম নিয়ে যাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে বদলে দিতে পারে। তাই কড়া নজর রাখেত হবে । গণনার মেশিনে যাঁরা ভোট গুনেত যাবেন, তাঁরাও সতর্ক থাকেবন।
কেউ ১০০ পেলে ওরা কম্পিউটারএ তুলবে পাঁচ। তাই যতক্ষণ না কম্পিউটার এ ভোট তোলা হবে, গণনাকেন্দ্র ছাড়েবন না। কেউ হাল ছাড়েবন না, লড়ে যাবেন।”
তারমানে ? এরকম আবার হয় নাকি ? তা, এরকম যে হয় উনি জানলেন কি করে ? এটাই কি ছিল এতো দিন ভোট জেতার ফর্মুলা ? কর্মীদের নির্দেশ দিতে গিয়ে কি অসতর্ক ভাবে ভোট করানো ফর্মুলা প্রকাশ করেদিলেন ? নির্বাচন কমিশন কি কাউন্টিং হলের নিয়মএ কোনো বদল আনছেন ?
দিদিমনির কাছে এরকমই খবর না পৌঁছলে এইরকম বিরোধী নেত্রী সুলভ কথা তিনি বলতেন না। মনে হচ্ছে ভোটে জেতার আগের ফর্মুলা এবার কাজ করবে না । এই ফর্মুলার বলেই কি ২১শের ভোটএ প্রশান্ত কিশোর এতটাই কনফিডেন্ট ছিলেন। ওই প্রবল বিরোধী হওয়ার মধ্যে এতো টা দৃঢ় ভাবে এই কারণেই বলেছিলেন যে বিজেপি ডাবল ডিজিট পেরোবে না ! একেই কি বলে ভোট করানো ?
নির্বাচন কমিশন এবারের ভোটে গণতন্ত্রের প্রহসন রুখতে বদ্ধপরিকর। পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা গুলোর পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে অভিনব তৎপরতা নিচ্ছে এ রাজ্যে । গণনা কেন্ডের ক্ষেত্রেও যে কড়া নিয়ম আসবে সেটা বলা বাহুল্য।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মী যিনি ২১এর ভোটে গণনা কেন্দ্রের মধ্যে ছিলেন, তিনি জানালেন এই অভিযোগ একদম সত্য। তিনি দেখেছেন কি ভাবে পুলিশের এবং এক শ্রেণীর আই এ এস এর নেতৃত্বে ডাটা এন্ট্রি অপারেটররা ফলাফল ওলোট পালট করছে। তার অনুমান ওই ডাটা এন্ট্রি অপারেটর রা আই প্যাক দ্বারা নিয়োজিত ছিল।
তবে বিরোধী বিজেপি দলের কর্মীরা তৃণমূল সুপ্রিমোর এই “কম্পিউটার এ ভোট আপলোড না হওয়া পর্যন্ত গণনা কেন্দ্র না ছাড়ার পরামর্শ টি গ্রহণ করতেই পারে” আখেরে এতে তাদেরই লাভ হবে। অশোক দিন্দার মতো ২০২১ শে রাজনীতিতে নবাগত এই ফর্মুলা তেই জয়লাভ করে।
তবে, ঘটনার গতিপ্রকৃতি দেখে মনে হচ্ছে এবারের ভোট নির্বাচন কমিশনই করাবে।
About The Author
Discover more from Jist Feed
Subscribe to get the latest posts sent to your email.
