আশিতম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় “শক্তির সপ্তধারা”-র রূপরেখা, এক কোটি যুবক-যুবতীকে বিনামূল্যে কৃত্রিম মেধার প্রশিক্ষণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদন, নয়াদিল্লি, ১৫ অগস্ট ২০২৬: “ছোট স্বপ্ন দেখলে আর চলবে না, স্বপ্ন দেখতে হবে বড়” দেশের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লার প্রাকার থেকে এমনই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। পরপর ত্রয়োদশ বারের জন্য লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিলেন তিনি। শনিবার সকালে ভাষণের গোড়াতেই স্পষ্ট করে দেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে ‘বিকশিত রাষ্ট্র’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কোনও আপস নেই। বিশ্বের সব চেয়ে জনবহুল দেশ যখন উন্নত হওয়ার সংকল্প নেয়, তখন গোটা বিশ্বকেই তার দিকে নতুন চোখে তাকাতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রথামাফিক রাজঘাটে গান্ধী-স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে লালকেল্লায় পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। এ বছরের অনুষ্ঠানে ছিল বাড়তি এক মাত্রা স্বাধীনতার পরে এই প্রথম বার লালকেল্লার অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি পরিবেশিত হয় দেড়শো বছরে পা রাখা ‘বন্দে মাতরম্’।
তবে এ দিনের ভাষণের সব চেয়ে লক্ষণীয় দিক হল, দেশের তরুণ প্রজন্ম এবং নতুন প্রজন্মের উদ্যোক্তাদের উপরেই বারবার জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ভারতের আত্মনির্ভরতার সব চেয়ে বড় শক্তি যেমন যুবসমাজ, তেমনই উন্নয়নের সব চেয়ে বড় সুবিধাভোগীও তারাই। ২০৪৭ সালে দেশ যখন স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করবে, আজকের তরুণ প্রজন্মের হাতেই থাকবে সেই ভারতের ভবিষ্যৎ এই বার্তা দিয়েই একের পর এক ঘোষণা করেন তিনি।
শক্তির সপ্তধারা: সাত স্তম্ভে বাঁধা উন্নয়নের রূপরেখা
এ বারের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী তুলে ধরেন ‘শক্তির সপ্তধারা’ নামের একটি নতুন কৌশলগত কাঠামো। উৎপাদন শিল্প, কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন, গতিশক্তি তথা পরিকাঠামো-সংযোগ, প্রতিরক্ষা শক্তি, সবুজ ও নীল অর্থনীতি এবং ভারতের সফট পাওয়ার— এই সাতটি ক্ষেত্রকে তিনি চিহ্নিত করেন আগামী দিনের বৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে। মোদীর কথায়, কোনও একটি ক্ষেত্রের উন্নতিতে দেশ শক্তিশালী হয় না, প্রয়োজন সামগ্রিক প্রচেষ্টার। উৎপাদন শিল্পে প্রতিযোগিতামূলক দাম, নিখুঁত গুণমান এবং বিপুল উৎপাদন-ক্ষমতার উপরে জোর দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে যা পাওয়া যায় তার চেয়ে ভাল এবং সস্তা পণ্য দিতে পারলে তবেই ভারতীয় পণ্য বিশ্ববাজার দখল করতে পারবে। গত এক দশকে প্রতিরক্ষা উৎপাদন চার গুণ, খাদি-গ্রামোদ্যোগ পাঁচ গুণ এবং ইলেকট্রনিক উৎপাদন সাত গুণ বেড়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ঘোষণার ঝুলি: এখনই কী করণীয়
এ দিনের ভাষণে সব চেয়ে বেশি জায়গা জুড়ে ছিল তরুণ প্রজন্ম এবং উদ্যোক্তাদের জন্য একের পর এক ঘোষণা, যা অবিলম্বেই কার্যকর হতে চলেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
কৃত্রিম মেধায় বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ: আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের এক কোটি যুবক-যুবতীকে কৃত্রিম মেধা (AI)-র দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। লক্ষ্য স্পষ্ট বিশ্বের কৃত্রিম মেধা প্রতিযোগিতায় নেতৃত্ব দেওয়ার মতো দক্ষতা যেন দেশের তরুণ প্রজন্মের হাতে থাকে।
বিনামূল্যে অনলাইন কোচিং: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির খরচ মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে বিরাট বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। সন্তানকে দূরে না পাঠিয়েও যাতে মানসম্মত প্রস্তুতি নিশ্চিত করা যায়, সে জন্য দেশের ডিজিটাল পরিকাঠামো এবং দক্ষ শিক্ষকদের একজোট করে সম্পূর্ণ বিনামূল্যের অনলাইন কোচিং নেটওয়ার্ক তৈরির ঘোষণা করেন তিনি।
স্টার্টআপের রমরমা: প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশে এখন নথিভুক্ত স্টার্টআপের সংখ্যা প্রায় আড়াই লক্ষ ছাড়িয়েছে। তরুণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসাকে আরও বড় করে তুলতে সরকার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে তিনি আহ্বান জানান, স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে আসার জন্য।
মহাকাশ থেকে বায়োইকোনমি: দেশের তরুণরা ইতিমধ্যে উপগ্রহ তৈরি এবং রকেট উৎক্ষেপণের মতো ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি জানান, ২০১৪ সালের আগে দেশের বায়োইকোনমির আকার ছিল প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২০ লক্ষ কোটি টাকায় নীতি ঠিক থাকলে এবং লক্ষ্য স্পষ্ট থাকলে তরুণ প্রজন্ম কী করে দেখাতে পারে, তার প্রমাণ হিসেবেই এই পরিসংখ্যান তুলে ধরেন তিনি।
বৈদ্যুতিন গাড়ি ও সবুজ অর্থনীতি: ২০১৯-২০ সালে দেশে বছরে যেখানে দেড় লক্ষ ইলেকট্রিক গাড়ি বিক্রি হত, ২০২৫-২৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ২৫ লক্ষ এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে গ্রিন মোবিলিটি এবং গ্রিন ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে বিশ্বমানের সক্ষমতা অর্জনের ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী।
সম্পত্তি থেকে পুঁজি: গ্রামীণ এলাকায় ব্যবসা শুরুর সব চেয়ে বড় বাধা যে জমি-বাড়ির আইনি নথির অভাব, তা মাথায় রেখে স্বামীত্ব যোজনার সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এই প্রকল্পে উপকৃত হয়েছে প্রায় সাড়ে তিন কোটি পরিবার, যাঁরা এখন নিজেদের সম্পত্তি বন্ধক রেখে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা ফাঁদতে পারছেন।
অর্থাৎ, শুধু ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি নয় এআই প্রশিক্ষণে নাম নথিভুক্তি, বিনামূল্যে অনলাইন কোচিংয়ে প্রবেশাধিকার, স্টার্টআপ ইন্ডিয়ার সহায়তা প্রকল্প কিংবা স্বামীত্ব যোজনার সম্পত্তি-নথির ভিত্তিতে ঋণ তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এই মুহূর্তেই ব্যবহারযোগ্য একগুচ্ছ পথ খুলে দেওয়ার চেষ্টা এ দিনের ভাষণে স্পষ্ট।
বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত, উপকূলের মৎস্যজীবীদের জন্যও সুযোগ
২০১৪ সালের পর থেকে বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশের সঙ্গে ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বিশেষত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এমএসএমই) উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে তাঁর আহ্বান, এই সুযোগ কোনও ভাবেই হাতছাড়া করা চলবে না। পাঞ্জাবের লুধিয়ানা থেকে তামিলনাড়ুর তিরুপূর দেশের বস্ত্রশিল্প যাতে বিশ্ববাজারে আরও বেশি জায়গা করে নিতে পারে, তার উপরে জোর দেন তিনি।
এই বাণিজ্য চুক্তির সুফল পৌঁছতে পারে বাংলার মৎস্যজীবীদের কাছেও। প্রধানমন্ত্রীর দাবি অনুযায়ী, কেরল থেকে গুজরাট এবং তামিলনাড়ু থেকে বাংলা উপকূলবর্তী রাজ্যগুলির মৎস্যজীবীদের জন্য চিংড়ি রপ্তানির সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে এই চুক্তিগুলির হাত ধরে।
কৃষকদের স্বস্তি দেওয়ার প্রসঙ্গেও একগুচ্ছ পরিসংখ্যান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, বিশ্ববাজারে যে ইউরিয়ার বস্তার দাম প্রায় তিন হাজার টাকা, সরকার তা কৃষকদের হাতে তুলে দিচ্ছে মাত্র তিনশো টাকায়। একই ভাবে বিশ্ববাজারে পাঁচ হাজার টাকা দামের ডিএপি সারও দেশের কৃষকদের জন্য সরবরাহ করা হচ্ছে ১,৩৫৭ টাকায়।
প্রতিরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা এবং বদলে যাওয়া যুদ্ধের চরিত্র
‘সপ্তধারা’-র পঞ্চম স্তম্ভ হিসেবে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতার উপরে জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর যুক্তি, বিশ্ব যখন নিজেদের স্বার্থ নিয়েই বেশি ব্যস্ত, তখন ভারত শুধু বিশ্ববাজার হয়ে থাকতে পারে না। হাইপারসনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং সাইবার নিরাপত্তাকে ভবিষ্যতের অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র বলে চিহ্নিত করেন তিনি।
যুদ্ধের বদলে যাওয়া চরিত্র নিয়েও সতর্ক করেন মোদী। তাঁর কথায়, এখন যুদ্ধ শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকে না তা হতে পারে কোনও তেল শোধনাগারে, ব্যাঙ্কিং পরিকাঠামোয় বা তথ্যকেন্দ্রে। তথ্যযুদ্ধ এবং সাইবার-যুদ্ধের মতো নতুন ক্ষেত্রে দেশকে প্রস্তুত রাখার আহ্বান জানিয়ে সাধারণ নাগরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও আরও মজবুত করার কথা বলেন তিনি।
২০৩৬ অলিম্পিক্সের লক্ষ্যে দেশজোড়া প্রতিভা অন্বেষণ
ক্রীড়াক্ষেত্রেও এল বড় ঘোষণা। ২০৩৬ সালের অলিম্পিক্স আয়োজনের অন্যতম জোরালো দাবিদার হিসেবে ভারতকে তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিশ্বের প্রায় সাড়ে তিনশো ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেই এখনও যোগ্যতা অর্জন করতে পারে না ভারত। এই ঘাটতি মেটাতে ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সিদের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বার করতে দেশজুড়ে গ্রাম-শহর-প্রত্যন্ত অঞ্চলে শুরু হবে ‘ট্যালেন্ট হান্ট’ অভিযান।
নেশামুক্ত ভারত ও নকশাল-প্রশ্নে আশাবাদী
যুবসমাজকে সামনে রেখেই নেশামুক্ত ভারত গড়ার ডাক দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং আধ্যাত্মিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে ১০০ সপ্তাহব্যাপী নেশামুক্ত ভারত অভিযান। নকশাল সমস্যা প্রসঙ্গে তাঁর দাবি, চার দশক ধরে চলা এই হিংসা এখন তার শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যদিও এই লড়াইয়ে সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রতিক্রিয়া
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পাশাপাশি এ দিন স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বার্তা দেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেও। তাঁর বক্তব্য, গত দশ বছরে দেশের সাংবিধানিক মূল্যবোধ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক সম্প্রীতি একাধিক গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে, এবং আর্থ-সামাজিক ভাবে দুর্বল অংশের জন্য পূর্ণ সাম্য ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।
এক নজরে ভাষণের পরিসংখ্যান
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| নথিভুক্ত স্টার্টআপ | প্রায় ২.৫ লক্ষ |
| আগামী ১ বছরে AI প্রশিক্ষণের লক্ষ্য | ১ কোটি যুবক-যুবতী |
| বায়োইকোনমি (২০১৪-র আগে → বর্তমান) | ₹৬০,০০০ কোটি → ₹২০ লক্ষ কোটি |
| ইলেকট্রিক গাড়ি বিক্রি (২০১৯-২০ → ২০২৫-২৬) | ১.৫ লক্ষ → প্রায় ২৫ লক্ষ |
| মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (২০১৪ সাল থেকে) | প্রায় ৪০টি দেশ |
| স্বামীত্ব যোজনার সুবিধাভোগী পরিবার | প্রায় ৩.৫ কোটি |
| ইউরিয়া (কৃষক মূল্য / বিশ্ববাজার মূল্য, প্রতি বস্তা) | ₹৩০০ / ₹৩,০০০ |
| DAP সার (কৃষক মূল্য / বিশ্ববাজার মূল্য, প্রতি বস্তা) | ₹১,৩৫৭ / ₹৫,০০০ |
| প্রতিরক্ষা উৎপাদন বৃদ্ধি (এক দশকে) | ৪ গুণ |
| ইলেকট্রনিক উৎপাদন বৃদ্ধি (এক দশকে) | ৭ গুণ |
| ২০৩৬ অলিম্পিক্স প্রস্তুতি | ৫-১৫ বছর বয়সিদের জন্য দেশজোড়া ট্যালেন্ট হান্ট |
বাংলার তরুণ প্রজন্মের কাছে আবেদন
মোদীর এই ভাষণ নিছক কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনার তালিকা নয়, বাংলার মতো রাজ্যের তরুণ প্রজন্মের কাছেও এটি একাধিক প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে। বিনামূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, অনলাইন কোচিং বা স্টার্টআপ সহায়তার মতো কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকার পড়ুয়া ও উদ্যোক্তাদের কাছে বাস্তবে কত দ্রুত এবং কতটা পৌঁছবে, তা অনেকখানি নির্ভর করছে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের উপরেই। মৎস্য রপ্তানির নতুন সুযোগ যেমন দিঘা-কাকদ্বীপ-নামখানার মৎস্যজীবীদের জন্য আশার আলো দেখাচ্ছে, তেমনই কৃত্রিম মেধা কিংবা মহাকাশ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বাংলার তরুণ উদ্ভাবকদেরও এই বৃহৎ জাতীয় পরিকল্পনার শরিক হওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। লালকেল্লা থেকে দেখানো ২০৪৭ সালের বিকশিত ভারতের স্বপ্ন শেষ পর্যন্ত কতটা বাস্তবায়িত হবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করছে ঠিক এই প্রশ্নগুলির উত্তরের উপরেই।
তথ্যসূত্র: প্রধানমন্ত্রীর ৮০তম স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ, লালকেল্লা, ১৫ অগস্ট ২০২৬

