Tarkeswar e modi

শুভজিৎ বসু, হুগলী তারকেশ্বর : বীরবাহা হাঁসদা এসেছে বাবার সঙ্গে মোদি দেখতে,ঘন্টার পর ঘন্টা ঠা ঠা রোদে কষ্ট সহ্য করে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার মানুষ। একবার প্রধানমন্ত্রীর দেখা পেতে। নির্ধারিত সময়ের পঁচিশ মিনিট পর তারকেশ্বরের মাঠে নামল প্রধানমন্ত্রীর চপার। বাঁধ ভাঙা উচ্ছাস নিয়ে হেলি প্যাডের আরো কাছের যাওয়ার চেষ্টা করলেন কেউ কেউ লাঠি মেরে তাদের বিরত করল কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবুও আটকানো গেলনা তাদের। হেলিপ্যাড ঘেরা ছিল বাঁশের ব্যারিকেড দিয়ে।সেই ব্যারিকেডের কাছে চলে গেলেন অনেকেই। উদ্দেশ্য আর একটু কাছ থেকে মোদিকে দেখা।

চপারের সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় দর্শকদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়লেন মোদি।আওয়াজ উঠল মোদি মোদি। দর্শকদের ভিড়ে দেখা গেলো অনেক ছোটো শিশুকে নিয়ে এসেছেন তাদের মা বাবারা।

তারকেশ্বরের বাসিন্দা অজয় হাঁসদা তার মেয়ে বীরবাহাকে কোলে করে নিয়ে এসেছিলেন।অজয় বলেন, একজন আদিবাসী মহিলা কি হয়েছিলেন সেটা দেখে ভালো লাগতো, তাই মেয়ের নাম রেখেছিলাম বীরবাহা। তৃণমূলের নেতারা যেরকম কর্ম করেছে সেরকম ফল পাচ্ছে।
মোদিকে দেখতে এসেছিলাম কারন ভালো লাগে।

ছোটো শিশু নিয়ে গরমে প্রায় আড়াই ঘন্টা দাঁড়িয়ে ছিলেন মল্লিকা বৈদ্য।প্রধানমন্ত্রীর চপার নামতে আবছা দেখতে পান। অনেকটা দূর থেকে ভালো দেখা যাচ্ছিল না। তবু যেটুকু দেখা গেছে তাতেই খুশি তিনি।

মোদি এসেছেন তারকেশ্বরে রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গ দিবস হচ্ছে শৈব তীর্থে।এতেই খুশি তারকেশ্বরবাসী। আশা আরো উন্নতি হবে। কাশি বিশ্বনাথের মত তারকেশ্বরের উন্নয়ন চাইছেন তারা। তারকেশ্বরের মাটিতেই ১৯৪৭ সালে অখিল ভারতীয় হিন্দু মহাসভার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাজবাড়ির মাঠে। হিন্দু মহাসভার সভাপতি ছিলেন শ্যামা প্রসাদ। পশ্চিমবঙ্গের ভারতে থাকার পক্ষে ভোট দানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছিল শ্যামা প্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে। ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বিধানসভায় ভোটে বাংলা ভাগের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেলার বাইরে থেকে যারা এসেছেন তারাও প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে আসেন। তবে এত ভিড় ছিল অনেকে ভিতরে ঢুকতে পারেননি।হেলিপ্যাডে মোদি দর্শন করে বাড়ির পথ ধরেন।

About The Author


Discover more from Jist Feed

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply